বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৩-০৯-২০২৬ ১১:৩৯:২১ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
০৩-০৯-২০২৬ ১১:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন
প্রতীকী ছবি
নেপালের ভোটেকোশি নদীতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
কাঠমান্ডু পোস্টের বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বর্ষাকালে নদীগুলোর পানি বৃদ্ধির ফলে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন বেড়ে যাওয়ায় নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল নেপাল। সম্প্রতি ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎ আনা শুরু করেছিল বাংলাদেশ, যা বর্তমানে গত ২৬ আগস্টের আকস্মিক বন্যার দরুণ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
ভোটেকোশি নদীর এই বিধ্বংসী বন্যায় শত শত মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি নেপালের অবকাঠামো ও বেশ কয়েকটি হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য নেপালের ২২.১ মেগাওয়াটের ‘চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট’ এবং ২৪ মেগাওয়াটের ‘ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট’ অনুমোদিত ছিল।
তবে দুটি কেন্দ্রই বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত সপ্তাহ থেকে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। মার্কিন ডলার লেনদেনের চুক্তিতে ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে প্রজেক্ট দুটি বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠিয়ে আসছিল।
নেপালে শীত মৌসুমে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আগে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হলেও, নতুন নতুন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে দেশটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছিল। এমনকি শুষ্ক মৌসুমে গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানির রেকর্ড থাকলেও বর্তমান দুর্যোগের কারণে তা কমে ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেন, "বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।"
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স